বাস্তবে
ক্রেডিট, প্রার্থী, নির্বাচন ও ইত্যাকার বিষয় নিয়ে আমার আগ্রহ সবসময়ই শূন্য। সবসময়ই
মিছিল মিটিং না-করা আমি। ছবি পাঠালেও হয়ত লিখতাম না। আমার আগ্রহ না-থাকা এর একটা কারণ
হলেও আরেকটা অন্য কারণ হলো গারো কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি. নিয়ে আমার অতীত
অভিজ্ঞতা কখনোই সন্তোষজনক ও সুখকর না। অগণিত মানুষের কাছে গারো কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন
লি. মানে একটি জোচ্চোরদের আখড়া। যারাই মসনদে যায় লুটপাট করে খায়। নিয়ম ও
সংবিধানের কাছে কেউ কোনকালে দায়বদ্ধ না। অনিয়ম ও দূর্নীতিই এই প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য।
অন্যদের কাছেও মোটাদাগে অপাঙক্তেয়। এর সত্যতাও সুস্পষ্ট। অন্য ক্রেডিট লিমিটেডগুলো
যেখানে কৈশোরেই সোজা দাঁড়িয়ে গেছে, এই ক্রেডিট লি. গুঁজা হয়ে
ক্রমশ নিচে হেলেছে। এর অন্য বা আক্ষরিক অর্থ হয়ত এমন, গারোদের সৎ ও সহজ-সরল
বলা হলেও আদতে গারো তা না। গারোদের মধ্যে এই কোয়ালিটিগুলো অনুপস্থিত।
এমনটি না
হলে ঢাকা গারো কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি. গারোদের জন্য একটি গর্ভের নাম হতে
পারত, উদহরণ হতে পারত। হয় নি। অদূর ভবিষ্যতে হবে এই অলীক ও ভুল স্বপ্ন দেখা আদৌ
ঠিক না। জন্মলগ্ন থেকে এই চর্চা এই ক্রেডিট লিমিটেডে ছিল না। মসনদে যারা এসেছে
তারা এই চর্চার ধারেকাছে হাঁটে নি, এই চর্চা তারা করে নি। চর্চার জন্য যে কোয়ালিটি দরকার সেই কোয়ালিটির লোক মসনদে আসে
নি। কাজেই কোয়ালিটিকে ধরতে ও ধারণ করতে না পারলে অধুনা নির্বাচনের এই যে নিনাদ ও
দামামা নিরর্থকই হবে। জোচ্চোরদের যে আখড়া সেই আখড়ায় থেকে যাবে।
এক্ষেত্রে বরং মধুপুরের পীরগাছা থাংয়ানি কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লি. গারোদের ক্রেডিট ইউনিয়ন লি.-এর অগ্রযাত্রায় মিনার হতে পারে। মিহির মৃ’র মতো নেতৃত্ব ও সভাপতিরা অনুসরণীয় হতে পারে। নিজেরা কিভাবে নীট এণ্ড ক্লিন থেকে, নিবেদিত হয়ে, ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেড থেকে কোনরকম সুযোগ-সুবিধা না নিয়ে ফাঁকফোকড়হীন শক্তিশালী ক্রেডিট ইউনিয়ন লি. গড়ে তোলা যায় অনুকরণীয় হতে পারে। এই চ্যালেঞ্জ বা লক্ষ্য ঢাকা গারো কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন লি. ও ঢাকাবাসী গারোদের জন্য মোটেও সহজ না। একজন মিহির মৃ হওয়া তাদের জন্য অত সহজ না। এখান থেকে তারা এখনও যোজন যোজন দূরে।


0 Comments