জমিদারি প্রথা বাতিল হয়েছে প্রায় শত বর্ষ আগে। প্রজাসত্ব আইনে জনসাধারণ ভূমির উপর অধিকার ফিরে পেয়েছে। জনগণ সরকারের কাছে দায়বদ্ধ। কিন্তু মধুপুরের গারো জনগোষ্ঠী বনবিভাগের জমিদারিতে ভাল নেই। এখানে সরকারের ভিতরের সরকার হলো বনবিভাগ।
শত বছরেও এখানে জমির বন্দোবস্ত করা হয় নাই, শত বছরের জমির মালিকানা কেন অস্বীকার করছে সরকার? সরকার কি এখানে দ্বৈত-শাসন বহাল রেখেছে? গারো জনগোষ্ঠীর অধীকার অস্বীকার করে ভূমিহীন বিচ্ছিন্ন নাগরিক বানাবে?
অমরা সরকারের কাছে এমন ব্যবহার আশা করি না। মধুপুরের গারো-বাঙ্গালী জনগোষ্ঠী শত বছর থেকে শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্য-সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ । উৎসব অনুষ্ঠান ও সকল সামাজিক কাজে একে অন্যকে সহযোগীতা করে আসছে। আজকে এই গারো জনগোষ্ঠীর দুর্দিনে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীও গারোদের পাশে আছে ও সাহস সহযোগীতা দিয়ে যাচ্ছে। সরকারের কাছে দাবি, প্রথাগত ভূমির অধিকার দিতে হবে এখানে বসবাসরত গারো ও বাঙ্গালী সকলকে।
কিছু নিম্ন রুচির মানুষ বনবিভাগকে ব্যবহার করে গারো জাতিগোষ্ঠীকে সরকারের মুখোমুখি দার করাতে চায়। আশাকরি সরকারের দায়িত্ববান ব্যক্তিগণ যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।
সেই সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে যাতে মানসিক ও আর্থিক ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে উঠতে পারে। দোষি ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। স্থানীয় জাতিগত নেতৃবৃন্দদের সাথে বসে দীর্ঘ মেয়াদী সমাধান কারতে হবে।
যত দিন রাষ্টীয় অনিষ্টতা বন্ধ হবে না, আসুন ততদিন প্রতিবাদ অবস্থান অব্যাহত রাখি।


0 Comments