খু•রাং দ•আমেক, ধোবাউড়া
গত ১৩ মে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৩ জন গারো সহ ৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জনই ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১ জন ডাক্তার, ১ জন কম্পাউন্ডার, ১ জন সিনিয়র নার্স সহ দু’জন হাসপাতালেরই স্টাফ নার্স কলেতা জেংচামের ছেলে ও ভাস্তি।
আক্রান্ত ৩ জন গারোর মধ্যে অরেলিয়া ম্রং হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স। তার বাড়ি ধোবাউড়া বাজারের সাথেই, পুব পাশে পঞ্চনন্দপুর। অন্যরা হলেন কলেতা জেংচাম’র ছেলে জেরি জেংচাম ও ভাস্তি নিতি জেংচাম। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার সাপমারা গ্রামে। তারা হাসপাতালের ভেতরেই কোয়ার্টারে বসবাস করেন।
কলেতা জেংচাম জানান, তাদের কারোর মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোন লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দেয় নি বা নেই। তারপরও সবসময় বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন ধরনের রোগী আসে ও সেবা করতে হয় বিধায় আমরা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠিয়েছিলাম। আর আমার নিজেরই বেশ কিছুদিন ধরে কাশি ছিল এ কারণে আমিও নমুনা দিয়েছিলাম, সাথে ছেলে ও ভাস্তিরটাও দিয়েছিলাম। এখন দেখি আমরটাই নেগেটিভ এসেছে! আমরা কিছুটা অবাকই। হাসপাতালের আরেকজন স্টাফ নার্স অনুভা ঘাগ্রাও একই কথা বলেন।
গত ১৩ মে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৩ জন গারো সহ ৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩ জনই ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত আছেন। আক্রান্তদের মধ্যে ১ জন ডাক্তার, ১ জন কম্পাউন্ডার, ১ জন সিনিয়র নার্স সহ দু’জন হাসপাতালেরই স্টাফ নার্স কলেতা জেংচামের ছেলে ও ভাস্তি।
আক্রান্ত ৩ জন গারোর মধ্যে অরেলিয়া ম্রং হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স। তার বাড়ি ধোবাউড়া বাজারের সাথেই, পুব পাশে পঞ্চনন্দপুর। অন্যরা হলেন কলেতা জেংচাম’র ছেলে জেরি জেংচাম ও ভাস্তি নিতি জেংচাম। তাদের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার সাপমারা গ্রামে। তারা হাসপাতালের ভেতরেই কোয়ার্টারে বসবাস করেন।
কলেতা জেংচাম জানান, তাদের কারোর মধ্যে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কোন লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দেয় নি বা নেই। তারপরও সবসময় বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন ধরনের রোগী আসে ও সেবা করতে হয় বিধায় আমরা পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠিয়েছিলাম। আর আমার নিজেরই বেশ কিছুদিন ধরে কাশি ছিল এ কারণে আমিও নমুনা দিয়েছিলাম, সাথে ছেলে ও ভাস্তিরটাও দিয়েছিলাম। এখন দেখি আমরটাই নেগেটিভ এসেছে! আমরা কিছুটা অবাকই। হাসপাতালের আরেকজন স্টাফ নার্স অনুভা ঘাগ্রাও একই কথা বলেন।
এ-দিকে এ সংবাদটি গতকাল ১৩ মে জানানো হলে মূহুর্তেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার মানুষ কিছুটা আতঙ্কিতও হয়ে পড়ে। একে-অপরকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাবধান করতে থাকে। অপ্রয়োজনে ঘর হতে বের হতেও নিষেধ করতে থাকে। বিশ্বব্যাপী করোনার এ পরিস্থিতিতে নাগরিক সচেতনতা ও ব্যক্তির মানসিক শক্তিই পারে করোনার বিরুদ্ধে মানুষকে জয়ী করতে। এ জন্য সচেতন হোন, আর আক্রান্ত হলে কখনোই মনোবল হারাবেন না। সবসময় মনকে চাঙা রাখুন।
সংবাদটি শেয়ার করুন...
সংবাদটি শেয়ার করুন...


0 Comments