কি এমন ভোজবাজি রয়েছে যে উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে করোনা নিয়ন্ত্রণে? ‖ খু•রাং

খু•রাং দ•আমেক

সংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হওয়া সত্ত্বেও, কিংবা, করোনা ভাইরাসের আঁতুড়ঘর হওয়া সত্ত্বেও চীনে কেন করোনায় আক্রান্তের আনুপাতিক হার কম? কি কারণে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোতে করোনা সংক্রমণ তাদের নিয়ন্ত্রণে? কি এমন ভোজবাজি তাদের কাছে রয়েছে যে অন্যান্য দেশগুলো যখন করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে নাকাল, বিজ্ঞানের সব উপায় প্রয়োগ করেও কোনরকম আশা জাগাতে পারছে না, পরাভূত হচ্ছে?


দক্ষিণ কোরিয়ার এক বাংলাদেশী শ্রমিক সে দেশের অবস্থা এভাবে জানাচ্ছিলেন, এখানে সবই ঠিকঠাক মতো চলছে। মিল কারখানা খোলা। সরকারী বিধি-নিষেধ ও নির্দেশ মেনে সতর্কতার সাথে সব কাজই চলছে। মানুষ ঘর হতে বের হচ্ছে না। মিল কারখানার মালিকরাও আমাদের বাধ্য করছে সরকারের নির্দেশনা মেনে চলতে। আমাদের ও অন্যান্য দেশের সাথে এ দেশের বড় পার্থক্য হলো এ দেশের জনগণ সরকারের কথা অক্ষরে অক্ষরে মানে। কোন ব্যতয় হয় না। উনিশ-বিশ হলেই জরিমানা। মিল কারখানার মালিকরা আরো বেশি মানে। এদিক-ওদিক হলেই তাদেরকে বড় অঙ্কের জরিমানা গুনতে হয়। মোটকথা এখানে অন্যায় করলে অন্যায়ের মাত্রানুযায়ী সবাইকেই সাজা পেতে হয়। দেশের জনগণের ওপর সরকারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। অন্যান্য দেশে যেটা নেই। আমেরিকা ও ইউরোপের মতো দেশগুলোতে যেটা একেবারেই নেই। আমাদের দেশেও নেই।

সেই শ্রমিক আরও জানাচ্ছিলেন, ‘আমরা করোনা নিয়ে যেকোন মূহুর্তের যেকোন ধরনের আপডেট খবর সাথে সাথে পেয়ে যাচ্ছি। মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে আমাদেরকে জানানো হচ্ছে। উদ্দেশ্য হলো আমরা যেন অ্যালার্ট হই। নিজেদের সেভ রেখে সতর্ক থাকি। চিকিৎসা নিয়েও এখানে কোন টেনশন নেই। একটা নম্বর আছে, ওই নম্বরে ফোন করলেই সরকারী গাড়ি এসে নিয়ে যাবে। সবই সরকারী খরচে।’ 

লেখাটি শেয়ার করুন...

Post a Comment

0 Comments