খু•রাং দ•আমেক
পুরো পৃথিবী এখন নভেল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। কি উন্নত, কি অনুন্নত কোন রাষ্ট্রই বাদ যাচ্ছে না। অনেক উন্নত রাষ্ট্রের রাষ্ট্র প্রধানগণ নিজের দেশে এ-ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন। বিজ্ঞানের সব উপায় প্রয়োগ করেও কোন পরিবর্তন ও উপায় বের করতে পারছেন না। প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে দিয়ে অগণিত মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে, প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে দিয়ে অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছে। উন্নতির শিখরে থেকেও, জ্ঞান-বিজ্ঞানে সবার চেয়ে এগিয়ে থেকেও আজ তারা অসহায়।
আমাদের দেশও এ ভাইরাস সংক্রমণে পিছিয়ে নেই। প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। সে তুলনায় ভাইরাস প্রতিরোধে আমাদের সচেতনতা কম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারের বিধিনিষেধ আমাদের অধিকাংশ নাগরিকরাই মানছেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আমাদের দেশের জনসংখ্যা ও মানুষের জীবনাচার বিচারে বলতেছে, এ অবস্থা চললে বাংলাদেশে ৫-২০ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হবে।
মনে রাখতে হবে, এ ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতাই একমাত্র উপায়। প্রত্যেককেই ঘরে থাকতে হবে। কাজে-অকাজে যত্রতত্র ঘরের বাহিরে বের হওয়া যাবে না। মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। খানিক বাদে বাদে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। আর যেখানে যে অবস্থায় থাকুন-না কেন, সেখানেই ধৈর্য সহকারে বসবাস করতে হবে।
জ্বর সর্দি কাশি ও শ্বাসকষ্ট হলো এ ভাইরাস সংক্রমণের অন্যতম লক্ষণ। তবে এ উপসর্গগুলো দেখা দিলেই ঘাবড়াবেন না। এ সমস্যাগুলো মানুষের সচরাচর হয়েই থাকে। বরং না ঘাবড়িয়ে ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং ঔষধ পথ্য সেবন করে নিজেদের সুস্থতা নিশ্চিত করুন।
ডাক্তারি পরামর্শ দিতে ফ্রেন্ডস, এফএসডি ও বাংলাদেশ গারো গভর্মেন্ট অফিসার্স এসোসিয়েশন এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সার্বক্ষণিক সেবা পেতে মোবাইল নম্বরসহ এ এসোসিয়েশনের ডাক্তারদের নাম দেওয়া হয়েছে, বিনা সংকোচে আপনার সমস্যার কথা ডাক্তারকে খুলে বলুন। সুস্থ থাকুন এবং এ-মূহুর্তে স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই মেনে চলুন।


0 Comments